Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘আওলাদে রসূল’

সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, গুলে মদীনা, খযীনাতুর রহমাহ, ইমামাতুস সিদ্দীক্বাহ, আওলাদে রসূল, বিনতে মুজাদ্দিদে আ’যম, ইলাহী দিলরুবা রাজারবাগ শরীফের হযরত শাহজাদীয়ে ছানী মুদ্দা জিল্লুহাল আলীয়াউনার আগমনে মাহে রবীউছ ছানী শরীফ বিশেষ ফযীলত প্রাপ্ত হয়েছে।

ছাত্র আঞ্জুমান মজলিস প্রতিবেদক: খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত, ওয়াত তরীক্বত, ইমামে আ’যম, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ছহিবে সুলত্বনিন নাছীর, ছহিবে ইসমে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী- উনার মুবারক ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ এবং সাবির্ক দিকনির্দেশনায় পরিচালিত- সারাবিশ্বব্যাপী ছাত্র ও যুব সমাজের মাঝে হিদায়াতের আলো বিচ্ছুরণকারী, বাতিলের শিরোচ্ছেদকারী, ছাহাবা সুন্নতে সমুজ্জ্বল, নকশায়ে কাফেলায়ে ছাহাবা, আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার সাবির্ক অনুগ্রহে ধন্য, মুজাদ্দিদে আ’যম-উনার তাজদীদী ছাত্র মজলিস, ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত, বাংলাদেশ এর ৩০৭তম কেন্দ্রীয় মজলিস গত ০৮-০৪-৩১হিজরী মোতাবেক ২৫-০৩-১০ইং রোজ-বৃহস্পতিবার মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বা’দ আছর হতে ইশা পর্যন্ত আয়োজিত উক্ত আজীমুশ শ্বান মজলিসে চলতি রবীউছ ছানী শরীফ মাসের ১৯ তারিখে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, কিশোরীকূলের মুক্তির দিশারী, ইমামাতুস সিদ্দীক্বা, খযীনাতুর রহমাহ, আহলে বাইতে মুজাদ্দিদে আ’যম-উনাদের মধ্যমণি, মাহবুবায়ে ইলাহী, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফের হযরত শাহজাদীয়ে ছানী মুদ্দা জিল্লুহুল আলী- উনার বিলাদত শরীফ তথা এই যমীনে আগমণকে কেন্দ্র করে মজলিসে অংশগ্রহণকারী আমিলবৃন্দ বিশেষ আলোচনা পেশ করেন। উক্ত আলোচনা সমূহে সারা মাসব্যাপী কীভাবে এই মুবারক দিবস উদযাপন করা যায় এ বিষয়ে বক্তাগণ তাদের আরজি-অভিমত পেশ করেন।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য, রবীউছ ছানী মাসের ১৯ তারিখে মুজাদ্দিদে আ’যম, কুতুবুল আলম, ইমামে আ’যম, হাবীবে আ’যম, আওলাদে রসূল ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী ও সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, ইমামাতুস সিদ্দীক্বা, হাবীবাতুল্লাহ, যাওজাতু মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফের হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহাল আলীয়া-উনাদের কোল মুবারকে তাশরীফ নিয়ে এই জগতবাসীকে বিশেষ নিয়ামত দানে ধন্য করেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, গুলে মদীনা, খযীনাতুর রহমাহ, ইমামাতুস সিদ্দীক্বাহ, আওলাদে রসূর, ছানী বিনতে মুজাদ্দিদে আ’যম, ইলাহী দিলরুবা রাজারবাগ শরীফের হযরত শাহজাদীয়ে ছানী মুদ্দা জিল্লুহাল আলীয়া। উনার আগমনে তামাম মাখলূকাত এর ন্যায় বিশেষ ফযীলত প্রাপ্ত ও বৈশিষ্টমন্ডিত হয় মাহে রবীউছ ছানী।

১৯শে মাহে রবীউছ ছানী শরীফ, উনার এই সুমহান বিলাদত শরীফ তথা আগমন দিবস উদযাপন উপলক্ষে, ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠানাদী আয়োজনের পদক্ষেপ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়।

পাশাপাশি উক্ত মজলিসে যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ থেকে মুজাদ্দিদে আ’যম-উনার দুয়া’র বদৌলতে সারা বিশ্বব্যাপী কাফির-মুশরিকদের উপর নিপতিত খোদায়ী আযাব-গযব এর মৌখিক চিত্র তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিয মুহম্মদ জমীর হুসাইন, ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত, বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইঞ্জি: কলেজ শাখার বিশিষ্ট আমিল মুহম্মদ আলী আকবরসহ আরো অনেকে।

মজলিসে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশেস আলোচনা পেশ করেন, মুজাদ্দিদে আ’যম মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার অত্যন্ত মাহবুব মুরীদ, মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসার মুদাররিস, বিশিষ্ট ছূফি, হযরতুল আল্লামা, মাওলানা, মুফতী মুহম্মদ আব্দুল হালীম ছহিব দামাত বারাকাতুহুল আলিয়া। পরিশেষে তিনি আল্লাহ পাক ও তার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মুজাদ্দিদে আ’যম মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনাদের দরবার শরীফে ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর কার্যক্রম আরো সুসংগঠিত হওয়ার আরজী পেশ করে দুয়া-মুনাজাত পরিচালনা করেন।

উক্ত মজলিসে মীলাদ শরীফ পরিবেশন করেন, ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সহ মেহমান বিষয়ক সম্পাদক, হাফিয মুহম্মদ হাসান আহমদ হাজারী।

উক্ত মজলিস পরিচালনা করেন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মুহম্মদ রূহুল আমীন বিশ্বাস ও সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মুহম্মদ রবীউল ইসলাম খান।

Advertisements

Read Full Post »

গত ১৮ই মার্চ, ২০১০ ঈসায়ী তারিখে ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ-এ ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি গঠন এবং নবীনবরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মুবারক তাশরীফ আনেন ছহিবে ইনছাফ, কায়িম মাকামে আলী হায়দার, আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী।
আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী, উনার মুবারক নসীহতে বলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি স্থান যেখানে হাজারো হারাম ও ফিৎনার কেন্দ্রস্থল। তথাকথিত সংস্কৃতিবাদী, বুদ্ধিজীবী ও নাস্তিকদের অন্যতম কেন্দ্র এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আর তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আঞ্জুমানের দায়িত্বও অনেক বেশি। এতসব বাতিলের মধ্যে হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থেকে হক্ব মত ও হক্ব পথ বিস্তার করতে তাই প্রত্যেক আঞ্জুমান কর্মীকে তার ব্যক্তিগত যিকির, ওযীফা ও সুন্নতের ইত্তিবার দিকে বিশেষ জোর দিতে হবে।
তাহলে গায়েবী মদদ হবে, ঈমানী কুওওয়াত বৃদ্ধি পাবে ও হাজারো হারামের বদ তাছির থেকে হিফাযত থাকা যাবে।
আর বিশেষভাবে প্রত্যেককেই তার শিক্ষা ব্যবস্থা, আইন ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, এই তিনটি বিষয় ঠিক রাখতে হবে। মূলতঃ এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে একটা ব্যক্তির সবকিছুই হয়ে যায়।
ইলম অর্জন করা ফরয। শিক্ষা ব্যবস্থা মূলত তাকে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা-ক্বিয়াসের ইলম অর্জন করতে হবে। আইন ব্যবস্থা বলতে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ-এর আদেশ-নির্দেশ সে যথাযথ পালন করবে। আর শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সে এই আইন-কানুন যথাযথ হাছিল করতে পারবে।
আর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা; এখন এটাতো হাদীছ শরীফ-এই ইরশাদ হয়েছে, আখিরী যামানায় দিনার-দিরহাম ব্যতীত ফায়দা হাছিল করা যাবে না। এখন সে যে কোন নেক কাজ করতে হলে তার টাকা পয়সা লাগবে। কাজেই অর্থনৈতিকভাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।
আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী, উনার মুনাজাতে সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য খাছভাবে দোয়া করেন। মুসলমানদেরকে যামানার ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী, উনাকে চিনে, উনার ছোহবতের মাধ্যমে খাছ হিদায়েত লাভের জন্য আল্লাহ পাক, উনার নিকট ফরিয়াদ করেন।
আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার মুবারক ইজাজতক্রমে অনুষ্ঠানে পুরাতন কমিটি বিলুপ্তকরণ এবং এক বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেন, ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক এবং সুইডেন আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সভাপতি মুহম্মদ শফিউর রহমান চৌধুরী নিপু।
উক্ত মুবারক অনুষ্ঠানে নবীনদের বরণ এবং নতুন কমিটিকে সাদরে গ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতের বিশিষ্ট আমীল, বিশিষ্ট কবি মুহম্মদ হাফিজ খান এবং দৈনিক আল ইহসান শরীফ এর বিশিষ্ট কলামিস্ট, বিশিষ্ট কবি গোলাম মুনজির মুহম্মদ এবং কেন্দ্রিয় ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ মাসুম বিল্লাহ এবং সহসাধারণ সম্পাদক হাফিজ মুহম্মদ জমির হুসাইন।
অনুষ্ঠানে মীলাদ শরীফ পাঠ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর প্রচার সম্পাদক হাফিয মুহম্মদ আবু হানীফা এবং কাছিদা শরীফ পাঠ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর পত্রিকা বিষয়ক সহ সম্পাদক মুহম্মদ নূরুজ্জামান।

Read Full Post »

গতকাল বাদ যোহর কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ তা’লীমি মজলিশে প্রধান অতিথি হিসেবে তাশরিফ আনেন এবং সারাদেশসহ সারা বিশ্বের আঞ্জুমান প্রতিনিধিগণের উদ্দেশ্যে রাজারবাগ দরবার শরীফ-এর আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী এ নছীহত মুবারক পেশ করেন।
তিনি বলেন, আল্লাহ পাক বলেছেন, যে ব্যক্তি এক বিন্দু নেকী করবে সে তার বদলা পাবে, আর যে এক বিন্দু বদী করবে সেও তার বদলা পাবে। অর্থাৎ বিন্দু বা জাররা জাররা থেকেই সব কিছু শুরু হয়। জাররা জাররা পানি বর্ষিত হতে হতে এক সময় বন্যা হয়ে যায়, সাগর মহাসাগর হয়ে যায়। ঠিক একইভাবে জাররা জাররা আমল থেকে বিশাল আমলের পাহাড় গড়ে উঠে।
তিনি বলেন, আঞ্জুমানের আমীলগণকে কোন অবস্থাতেই এক বিন্দু সুন্নতের খিলাফ চলা যাবে না। সব অবস্থায় সুন্নতের উপর ইস্তিকামত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের জন্য আল্লাহ পাক, উনার অপার রহমত, আল্লাহ পাক, উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনার অসীম ইহসান যে উনারা অত্যন্ত দয়া করে আমাদেরকে বাংলাদেশে প্রেরণ করেছেন এবং বাংলাদেশে অবস্থানকারী যামানার মহান মুজাদ্দিদ রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী, উনার মুুবারক ছোহবত দান করেছেন।
মুজাদ্দিদে আ’যম মুদ্দা জিল্লুহুল আলী, উনার প্রতিষ্ঠিত আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর প্রতিনিধিদের দায়িত্বে উনার মুবারক তাজদীদসমূহ সারাবিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়া, হক্ব মত, হক্ব পথের মুবারক বাণী সকল মুসলমানগণের নিকট পৌঁছে দেয়া। আর এ জন্য সর্বাগ্রে আঞ্জুমানে আমীলগণকে নিজেদের মধ্যে খিলাফত বাস্তবায়ন করতে হবে। অর্থাৎ মাথার তালু থেকে পায়ের তলা নিজেকে পরিপূর্ণ সুন্নতের রঙে রঞ্জিত করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রত্যেককে নিজের অর্থনৈতিক অবস্থা ও আইন ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে।
তিনি বলেন, দ্বীন ইসলামের খিদমতের জন্য সচ্ছলতার প্রয়োজন অবশ্যক। তাই প্রত্যেককে নিজের অর্থনৈতিক অবস্থা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ-এর নির্দেশনাবলীর দ্বারা নিজেকে আইন তথা নিয়মানুবর্তীতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। আর প্রত্যেককে অবশ্যই কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ-এর ইলম সমৃদ্ধ হতে হবে। যা তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ও দৈনিক আল ইহসান শরীফ পাঠের মাধ্যমে একজন মুসলমান খুব সহজেই লাভ করতে পারেন। তিনি বলেন, জাহিরী ইলমের পাশাপাশি বাতিনী ইলমে অর্থাৎ ইলমে তাসাউফও লাগবে। সে জন্য প্রত্যেককে তার ওযীফা, জিকির-ফিকির ঠিক রাখতে হবে। কমপক্ষে এক ঘন্টা জিকির তাকে অবশ্যই করতে হবে। তাহলে তার পক্ষে ইস্তিকামত থেকে কাজ করা সম্ভব হবে।
কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ মজলিসে অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা রাখেন মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ও দৈনিক আল ইহসান শরীফ-এর সম্পাদক আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম, আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর উপদেষ্টা লে. কর্নেল (অব:) আনোয়ার হুসাইন খান, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মুহম্মদ মুফিজুর রহমান, কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতের বিশিষ্ট আমীল মুহম্মদ মামুনুর রহমান, এবং সুইডেন আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সভাপতি মুহম্মদ শফিউর রহমান নিপু সাহেব।
মজলিস পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর বিশিষ্ট আমীল গোলাম মুনজির মুহম্মদ সাহেব ও মুহম্মদ হাফিজুর রহমান খান।

Read Full Post »